রেসিপিঃ সাধারন খিচুড়ি (মুগ ও মুশরী ডাল দিয়ে)

রান্নাঘর (গল্প ও রান্না) / Udraji's Kitchen (Story and Recipe)

শীত বা বৃষ্টিতে আমাদের দেশের মানুষের মন একটু ভিন্ন হয়ে যায় বলে আমি মনে করি। এই সময়ে আমাদের দেশের মানুষেরা একটু ভাল খেতে চান! হা হা হা, এই সময়ে ভুনা মাংশের সাথে খিচুড়ি হলে আমাদের দেশের অনেক মানুষের মন চাঙ্গা হয়ে উঠে। আমি নিশ্চিত, আপনারা কি বলেন!

আজ আপনাদের এমনি একটা মজাদার খিচুড়ি রান্না দেখাবো, অবশ্য এমন খিচুরি রান্না আগেও অনেক দেখিয়েছি। তবে আজকের রান্নার ডাল মিশ্রনে একটা ভিন্নতা আছে, মুগ এবং মুশরী ডাল মিশিয়ে এই রান্না হয়েছে। খেতে ও দেখতে অনেক মজাদার হয়েছে।

গল্প করার আর সময় নেই, আজকাল সময় হাতে পাচ্ছি না। চার পাশ থেকে সবাই কেমন যেন গলা টিপে মেরে ফেলতে চায়! সামান্য সুযোগ বা সময় দিতেও সবাই কার্পন্য করছে! যেখানেই যাচ্ছি ঝগড়া ঝাটি বা কেচ্ছাকাহিনী, শান্তি নেই একদন্ড। নিজের মত করে সময় না পেলে কি আর গল্প লিখা যায়। মোট কথা, গল্প লিখতে যে ভাবনার বা সময়ের দরকার তা আর পারছি না। মরে গেলেও হয়ত এই…

View original post 441 more words

Advertisements

রেসিপিঃ মলা মাছ আলু যোগে রান্না

রান্নাঘর (গল্প ও রান্না) / Udraji's Kitchen (Story and Recipe)

আজকাল আর রান্নায় মনোযোগী হতে পারছি না! কোথায় যেন আটকা পড়ে যাচ্ছি! লেখালেখির একই অবস্থা, আজকাল আর পারছি না! আসলেই সময়! মানুষ তার জীবনে এক একটা স্তর পার হয়ে আসে, এক এক স্তরে এক এক চাহিদা থাকে! সেই চাহিদার জন্য এক এক ইচ্ছা মাটি চাপা পড়ে যায়, গড়ে উঠে নুতন বাসনা, নুতন কর্ম, নুতন ভালবাসা! এই তো এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে দুই দিনের জীবন এই দুনিয়াতে! তবে একটা ব্যাপার ভেবে দেখেছি, অর্থ পুরাই একটা আলাদা বিষয়! অর্থের সাথে আসলে কোন কিছুই মিলে মিশে থাকে না! অর্থ যদিও দুনিয়ার প্রায় সব বিষয় নিয়ন্ত্রন করে, তবুও অর্থের দিকে তাকালে দুনিয়া মিছেই মনে হয়! অর্থ মানুষে অমানুষই বানিয়ে দেয়, বানিয়ে দেয় ভাল অভিনেতা কিংবা নিষ্টুর কিছু! আর সেই অমানুষ কিংবা নিষ্ঠুর মানুষ দিয়ে কি ভাল কিছু হয়! নিশ্চয় না!

যাই হোক, বললে অনেক কথাই বলা চলে, পক্ষে কিংবা বিপক্ষে অনেক ব্যাখ্যাই দাঁড়া করিয়ে দেয়া যায়! আপনারাও অনেক কিছু জানেন! তবে আমি মনে করি, এই…

View original post 486 more words

১৯৭১ : কবি জসীমউদ্দীনের সাক্ষ্য–সলিমুল্লাহ খান

সর্বজন

 

১৯৭১ সালের ছায়া বাংলাদেশের সাহিত্যে কতদূর পর্যন্ত পড়িয়াছে তাহা এখনও পর্যন্ত সঠিক পরিমাপ করা হয় নাই। উদাহরণস্বরূপ কবি জসীমউদ্দীনের কথা পাড়া যায়। এই মহান কবি ১৯৭১ সালেও বাঁচিয়া ছিলেন। সেই বাঁচিয়া থাকার অভিজ্ঞতা সম্বল করিয়া তিনি ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি নাগাদ একটি ক্ষীণকায় কবিতা সংকলনও ছাপাইয়াছিলেন।

স্বীকার করিতে হইবে, এই কবিতা সংকলনের খবর অনেকেই রাখেন না। যাঁহারা রাখেন তাঁহারাও রাখিতে বিব্রত বোধ করেন। জসীমউদ্দীন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সুনীল কুমার মুখোপাধ্যায়কে দ্বিতীয় দলের দৃষ্টান্তস্বরূপ স্মরণ করা যায়। তিনি ১৯৭২ সালে প্রকাশিত এই ক্ষুদ্র সংকলন প্রসঙ্গে লিখিয়াছেন, ‘বিশেষ উদ্দেশ্যমূলকতার দায় বহন করতে গিয়ে কবিতার প্রাণশক্তি এখানে যে দারুণভাবে পীড়িত হয়েছে তা না মেনে উপায় নেই।’

১৯৭১ সালের প্রায় তিরিশ বছর আগে — ১৯৪০ সালে — অধ্যাপক হুমায়ুন কবির দুঃখ করিয়াছিলেন নজরুল ইসলামের মতন জসীমউদ্দীনেরও সৃজনীপ্রতিভা অল্পদিনেই শেষ হইয়া গিয়াছিল। ইহার কারণ কি দেখাইতে গিয়া তিনি বলিয়াছিলেন, নজরুল ইসলামের মতন জসীমউদ্দীনেরও ‘মানস সংগঠনে’ কোন রূপান্তর হয় নাই। নজরুল ইসলামের কবিতায় যে বিপ্লবধর্ম তাহা…

View original post 1,136 more words

মুক্তিযুদ্ধের সূচনাপর্ব: আহমদ ছফার ১৯৭১ – সলিমুল্লাহ খান

সর্বজন

‘ইতিহাসে কোন কোন সময় আসে যখন এক একটা মিনিটের ব্যাপ্তি, গভীরতা এবং ঘনত্ব হাজার বছরকে ছাড়িয়ে যায়,’ এ কথা লিখিয়াছিলেন মহাত্মা আহমদ ছফা। লিখিয়াছিলেন ঘটনার ২২ বছর পর। মোতাবেক ১৯৯৩ সালের মার্চ মাসে।

সঙ্গে সঙ্গে তিনি আরো বিশদ করিয়াছিলেন, ‘একাত্তর সাল যারা দেখেছে, ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে যারা বড় হয়েছে, একাত্তর সালের মর্মবাণী মোহন সুন্দর বজ্রনিনাদে যাদের বুকে বেজেছে, তারা ছাড়া কেউ একাত্তরের তাৎপর্য উপলব্ধি করতে পারবে বলে আমার মনে হয় না।’

মহাত্মা আহমদ ছফা যদি আজ পর্যন্ত বাঁচিয়া থাকিতেন, দেখিতেন ১৯৭১ সালের ৪২ বছর পরও এই দেশের তরুণ, নাতিতরুণ ও আবালবৃদ্ধ জনসাধারণ ১৯৭১ সালের গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও জাতীয় নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে ঘৃণায় কিভাবে সোচ্চার হইতেছে। হয়ত তিনিও এই প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দিয়া বলিতেন, ১৯৭১ অমর। ১৯৭১ মরে নাই। তিনি নিজেই লিখিয়াছিলেন ১৯৭১ সালকে ভোলা সম্ভব নহে। তাঁহার কথায়, ‘একাত্তর সাল পেরিয়ে এসেছি, কিন্তু সে একাত্তরের কথা বলার চিন্তা যখন করি, আমার শিড়দাঁড়া বেয়ে একটা প্রচল আতঙ্ক স্রোত প্রবাহিত হতে থাকে।…

View original post 506 more words

শাহবাগের পর–সলিমুল্লাহ খান

সর্বজন

2

গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে যে গণ আন্দোলন শুরু হইয়াছিল তাহার এক বছর পার হইতেছে। এই এক বছরে প্রায় এক যুগের মতন ঘটনা ঘটিয়াছে। শাহবাগে সংগঠিত প্রতিবাদ আন্দোলন দেখা দেওয়ার পর ইহার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়াও কম দেখা দেয় নাই। একটা প্রতিক্রিয়ার লক্ষ্য ছিল ইসলাম ধর্মাবলম্বী জনসাধারণের ধর্মানুভূতি ব্যবহার করিয়া এই আন্দোলনকে দুর্বল করা। ইহারা প্রচার করিয়াছিলেন শাহবাগের আন্দোলন নাস্তিক ছেলেপিলেদের আন্দোলন মাত্র। দ্বিতীয় ধরনের প্রতিক্রিয়াটি ছিল হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উপর হামলা করিয়া সাম্প্রদায়িক উস্কানি সৃষ্টি করা। প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি হয়ত আশা করিয়াছিলেন হামলার মধ্যস্থতায় প্রতিবেশী দেশের সাম্প্রদায়িক শক্তিকে আরো সক্রিয় করা যাইবে। দেশে দেশে দাঙ্গা বাধিয়া যাইবে। সৌভাগ্যের মধ্যে, তাহারা ষোল আনা সফল হন নাই।

এই সমস্ত লক্ষ্য অর্জনের জন্য যুদ্ধাপরাধীদের সহযোগী মহল মিথ্যা প্রচারণার আশ্রয় লইয়াছিল। ইহাতেই প্রমাণ তাহাদের ভিত্তি দুর্বল ছিল। এই জাতীয় মিথ্যা প্রচারণার মধ্যে সবচেয়ে জ্যান্ত মিথ্যাটি ছিল ৫ মে তারিখে মতিঝিলের জমায়েতকে কেন্দ্র করিয়া। যাহারা বলিয়াছিলেন সেদিন দিবাগত রাত্রে মতিঝিলে কমপক্ষে আড়াই হাজার মানুষ নিহত হইয়াছিলেন তাহারা…

View original post 522 more words